182027

ভারতে সিএএ প্রয়োজন ছিল না: প্রধানমন্ত্রী

আওয়ার ইসলাম: সংযুক্ত আরব আমিরাতে সফরকালে গালফ নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, ‘সিএএ-এর উদ্দেশ্য তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না।’ এ আইন তাদের প্রয়োজন ছিল না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ আইনে বলা আছে, ভারত তাদের প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আসা অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দেবে। বাংলাদেশ থেকে সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে পালিয়ে যাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, কথাটি সত্য নয়। বাংলাদেশ থেকে কেউ নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে পালিয়ে যাচ্ছে না। ভারত থেকেও কেউ নির্যাতিত হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে না।

সিএএ কার্যকরের পর পুরো ভারতজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, ভারতের যেসব মুসলিম নাগরিক তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ হবে তাদের পরবর্তী আশ্রয় হবে বাংলাদেশ।

সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে ভারত সফরে গেলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সিএএ কে ভারতের অভ্যন্তরীন বিষয় বলে আখ্যা দিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন কূটনীতিকও বরাবরের মতোই বলে আসছেন, এটি ভারতের অভ্যন্তরীন বিষয়।

ডিসেম্বর মাসে ভারতের সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হয়। এই আইন পাশের ফলে ২০১৪ সালের আগে যেসব মানুষ পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, শ্রীলংকা থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে পালিয়ে এসেছে তাদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে।

তবে এখানে একটি শর্ত আছে। আর তা হচ্ছে, মুসলিম সম্প্রদায়ের কেউ নাগরিকত্ব পাবে না। কারণ আইনে উল্লেখ আছে পালিয়ে আসা শুধুমাত্র সংখ্যালঘু হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষজনকেই নাগরিকত্ব দেয়া হবে।

-এটি

ad

পাঠকের মতামত

Comments are closed.