136187

শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব নিরসনে ইরাকের মুসলিম তরুণদের অভিনব উদ্যোগ

আবদুল্লাহ তামিম: ইরাকে অনেক দিন ধরে চলে আসছে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব। আর এ দ্বন্দ্ব নিরসনে তরুণরা নানান উদ্যোগ করে বলে জানা যায়। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ২০১২ সালে ইরাকে মোটরসাইকেল আরোহীদের একটি ক্লাব গড়ে ওঠে৷ দেশটিতে শিয়া-সুন্নির ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা এ ক্লাবের অন্যতম লক্ষ্য৷

শিয়া-সুন্নিদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব গড়া তাদের প্রথম কাজ। ৪২ বছর বয়সি ইরাকের সরকারি কর্মকর্তা বিলাল আল-বয়াতি ২০১২ সালে মোটর সাইকেল আরোহীদের একটি ক্লাব গড়ে তোলেন৷ তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ভাতৃত্ব গড়ে তোলা, রয়টার্সকে সম্প্রতি দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। এ ক্লাবের মাধ্যমে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বে জর্জরিত ইরাকে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে চান বয়াতি৷

রাজনীতি নিয়ে কথা নয়। এটাই তাদের স্লোগান। ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রথম যে কাজটি করা হয়েছে সেটি হচ্ছে, ক্লাবের সদস্যরা কেউ রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে পারেন না৷ কেউ সেটা করলে তাকে এক-দুইবার নিষেধ করা হয়, তারপর ক্লাব থেকে বের করে দেয়া হয়৷

সব শ্রেণির, বয়সের মুসলিমদের স্বাগত জানায় তারা। ‘দ্য ইরাকি বাইকার্স’ নামের ক্লাবটির সদস্য সংখ্যা এখন প্রায় ৩৮০৷ তারা সবাই পুরুষ এবং সব ধর্মের (শিয়া, সুন্নি, খ্রিষ্টান, কুর্দি, তুর্কমেন), বয়সের, পেশার ও সামাজিক শ্রেণির প্রতিনিধি তাদের সঙ্গে আছে। এটা একটা ক্ষুদ্র ইরাক’ বলেন ক্লাবের ৩৬ বছর বয়সি সদস্য আহমেদ হায়দার, যিনি একটি আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থায় কাজ করেন৷

default

ঐক্যের ভাবমূর্তি গড়ার লক্ষ্যকে সামনে থাকে তাদের। ক্লাবের আরেকটি উদ্দেশ্য বাইকারদের ভাবমূর্তি উন্নত করা৷ এ লক্ষ্যে ক্লাবের সদস্যরা পুরো দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন৷ ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর বিরুদ্ধে লড়াইরত আহত যোদ্ধাদের রক্ত দিয়ে সহায়তা করেছেন তারা৷

বাইকারদের প্রিয় ব্র্যান্ড ‘হার্লে ডেভিডসন’৷ কিন্তু সহজলভ্য না হওয়া এবং ব্যয়বহুল হওয়ায় মার্কিন এই মোটর সাইকেল নির্মাতার তৈরি বাইক চালানো সব ইরাকির পক্ষে সম্ভব হয় না৷ তবে স্থানীয় কারিগররা সাধারণ একটি মোটর সাইকেলকে বিশেষ মোটর সাইকেলে রূপান্তরিত করে থাকেন৷ সেগুলো চালিয়েই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর চেষ্টা করেন অনেক ইরাকি৷

তাদের সঙ্গে সবসময় ইরাকের পতাকা থাকে। ক্লাবের সদস্যরা যখন রাস্তা দিয়ে বাইক চালিয়ে যান, তখন তাদের অনেকের মোটর সাইকেলে ইরাকের পতাকা বাঁধা থাকতে দেখা যায়৷ বাইকার ক্লাব গঠনের ধারণাটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে পেলেও বয়াতি তার ক্লাবের মাধ্যমে নিজ দেশ ইরাককেই সবসময় তুলে ধরতে চান৷ আর মুসলিমদের মাঝে ভিন্ন আঙ্গিকে  এক এক্যর জন্ম দিতে চান তিনি। সূত্র: ডয়েচে ভেল, রয়টার্স

-এটি

ad

পাঠকের মতামত

৩ responses to “বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ২০৫০ সালে ৯৭০ কোটিতে পৌঁছবে”

  1. Kelvand says:

    Is Cephalexin A Viral Infection cialis without prescription Generic Elocon On Sale Secure Ordering C.O.D. Rhode Island Pacific Care Prescriptions Is Ephedraxin Like Vyvanse

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *