148166

বজ্রপাতের সময় রাসুল সা. কী করতেন?

মোল্লা মোহাম্মদ
আওয়ার ইসলাম

প্রচুর ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠের আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে বজ্রপাত ও বৃষ্টি। গত বছরের তুলনায় এ বছর বজ্রপাত বেশি হচ্ছে। বজ্রপাতে মারা যাচ্ছে অনেক মানুষ।

বজ্রপাত খোদায়ি দুর্যোগ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, বজ্রপাত আল্লাহ তাআলার শক্তির নিদর্শনগুলোর একটি, যা তিনি তাঁর প্রিয় বান্দাদের সাবধান করার জন্য রেখেছেন। তিনি চাইলেই যে কাউকে এর মাধ্যমে যেকোনো সময় শাস্তি দিতে পারেন।

যদিও সব ক্ষেত্রে পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা এমনটি করেন না। যা আল্লাহ তাআলা নিজেই পবিত্র কোরআনে কারিমে ইরশাদ করেছেন, ‘বজ্র তাঁরই তাসবিহ ও হামদ জ্ঞাপন করে এবং তাঁর ভয়ে ফেরেশতাগণও (তাসবিহরত রয়েছে)। তিনিই গর্জমান বিজলি পাঠান, তারপর যার ওপর ইচ্ছা একে বিপদরূপে পতিত করেন। আর তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের) অবস্থা এই যে তারা আল্লাহ সম্পর্কেই তর্কবিতর্ক করছে, অথচ তাঁর শক্তি অতি প্রচণ্ড। (সুরা রা’দ, আয়াত : ১৩)

এর থেকে বেঁচে থাকার কিছু বাহ্যিক করণীয়ও রয়েছে, যা ইদানীংকালে বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। তবে হাদিসের পাতায় চোখ বুলালে দেখা যায়, বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রিয় নবী সা. তাঁর উম্মতদের বিভিন্ন দোয়া শিখিয়েছেন।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেন, রাসুল সা. যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন তখন বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা লা তাকতুলনা বিগজাবিকা ওয়ালা তুহলিকনা বিআজাবিকা ওয়া আ-ফিনা কবলা জালিকা।’ (তিরমিজি : ৩৪৫০)

অন্য রেওয়ায়েতে আছে, হজরত ইবনে আবি জাকারিয়া থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি বজ্রের আওয়াজ শুনে এ দোয়া পড়বে, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’, সে বজ্রে আঘাতপ্রাপ্ত হবে না। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ২৯২১৩)

এমএম/

ad

পাঠকের মতামত

৪ responses to “আমি আত্মহত্যা করবো, আমি বাঁচতে চাই না: মিন্নির বাবা”

  1. Rebcync says:

    Propecia Cusco viagra Valcatil Plus Propecia Cialis Simili How To Take Amoxicillin

  2. Kelvand says:

    Amoxicillin Online Pills Viagra Original Pas Cher Generic Cialis Tadalafil viagra Cialis En Belgique

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *