157034

থাকছে না জিপিএ-৫, আসছে সিজিপিএ-৪

আওয়ার ইসলাম: দেশের পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে সর্বোচ্চ গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ জিপিএ-৫ আর থাকছে না। আগামী জেএসসি পরীক্ষা থেকেই কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ- সিজিপিএ ৪-এর মধ্যে ফল প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

উচ্চ শিক্ষাস্তরে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার।

এছাড়া বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার সময় বা ব্যাপ্তিও কমিয়ে আনা হবে। এক মাস বা তার বেশি সময় ধরে পরীক্ষা নেয়া থেকে সরে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বৈঠক সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। অনুষ্ঠানে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বোর্ডগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব, মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বোর্ডে উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ (সিজিপিএ) পদ্ধতি রয়েছে। সর্বোচ্চ গ্রেড সিজিপিএ-৪ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফল প্রকাশ করা হয়।

অন্যদিকে প্রাথমিক সমাপনী, ইবতেদায়ি সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও সমমান, এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ পদ্ধতি চালু রয়েছে।

এসব পরীক্ষায় সর্বোচ্চ গ্রেড-৫ ধরে ফল নির্ধারণ করা হয়। সকল স্তরে একই পদ্ধতিতে গ্রেড গণনা না থাকায় বিভ্রান্তি ও জটিলতা তৈরি হয়। এছাড়া বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও গ্রেড সিজিপিএ-৪ নির্ধারিত রয়েছে।

এর প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বৈঠকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি জিপিএ-৪ এর ভিত্তিতে ফলাফল নির্ধারণের প্রস্তাবনা তুলে ধরলে শিক্ষামন্ত্রী এতে সমর্থন দেন।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, “জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে সর্বোচ্চ জিপিএ-৪ নির্ধারণ করার বিষয়ে সবাই একমত। আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা জমা দেব। পরে এসবের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

তিনি বলেন, “এছাড়া পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ জিপিএ-৪ করা হলে এটি হবে আন্তর্জাতিক মানের। বিদেশের শিক্ষাব্যবস্থার গ্রেডিং পদ্ধতির সঙ্গে সমান্তরাল হবে। দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও সর্বোচ্চ সিজিপিএ-৪ নির্ধারিত রয়েছে।”

জিয়াউল হক আরও বলেন, “বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার সময় বা ব্যাপ্তিও কমিয়ে আনা হবে। দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা নেওয়াতে বেশ কিছু জটিলতা তৈরি হয়। ফলে এর সময় বা ব্যাপ্তি কমিয়ে আনা হবে।”

আরএম/

ad

পাঠকের মতামত

৩ responses to “বরগুনার ডিসি-এসপির পদক্ষেপ জানতে চান আদালত”

  1. Ellaffoks says:

    50 Gel Kamagra Oral Jelly Discount Sale Secure Progesterone With Free Shipping Jacksonville generic cialis canada Baclofene Comment S’En Procurer Viagra Online Rezeptfrei Canadian Online Drugstore

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *