177472

বাংলাদেশ-সৌদি আরব দ্বি-পাক্ষিক হজচুক্তি-২০২০ সম্পাদিত

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশ-সৌদি আরব দ্বি-পাক্ষিক হজচুক্তি-২০২০ সম্পাদিত হয়েছে। ফলে এ বছর বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত ১০ হাজারসহ মোট একলাখ ৩৭ হাজার ১৯১জন হজে যেতে পারবেন।

স্থানীয় সময় আজ দুপুর ২টায় সৌদি হজ ও ওমরাহর বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মুহা. আব্দুল্লাহ এবং সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ সালেহ তাহের বেনতেন এর মধ্যে এ চুক্তি সম্পাদিত হয়।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ২০২০ সালের হজে বাংলাদেশের হজযাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে ১০হাজার। এজেন্সি প্রতি হজযাত্রীর সর্বনিম্ন সংখ্যা ১০০ এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা ৩০০ বহাল রাখা থাকছে। (চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমান বন্দর ব্যবহারকারী হজযাত্রী ছাড়া) শতভাগ হজ যাত্রীর ইমিগ্রেশন সৌদি আরবের পরিবর্তে ঢাকায় সম্পন্ন করা হবে। মদিনা থেকে হজ ফ্লাইটের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।

হজ এজেন্সীগুলোর জন্য এআইটিএ সনদ থাকার শর্তারোপ করা হচ্ছে না। প্রত্যেক হজযাত্রীর ইনসুরেন্স কভারেজ দিবে সৌদি সরকার। রুট টু মক্কার ন্যায় ফিরতি হজযাত্রীদের জন্য রুট টু ঢাকা এর সুবিধা চালু করা বিষয় রয়েছে। এছাড়া পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি এবং উন্নত করার আশ্বাস রয়েছে। এবারও মিনায় দ্বিতল খাট না রাখার বিষয় উল্লেখ রয়েছে চুক্তিতে।

এর আগে বুধবার সকাল ১১টায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ প্রতিমন্ত্রী ডক্টর আব্দুল ফাত্তাহ বিন সোলায়মান মাশাতের নেতৃত্বে সৌদি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ যে সকল প্রস্তাব তুলে ধরেন- বাংলাদেশের হজযাত্রীর কোটা বাড়ানো, রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভের আওতায় শতভাগ হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন বাংলাদেশে করা এবং হজ শেষে দেশে ফেরার সময় জেদ্দা ও মদিনা এয়ারপোর্টে হাজিদের ইমিগ্রেশন সহজ করা।

হাজিরা যাতে ৪২ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনের কম সময়ে দেশে ফিরতে পারেন সে ব্যবস্থা গ্রহণ, ভিসা প্রসেসিং সহজ করা, খাওয়া-থাকাসহ সৌদিআরবে বাংলাদেশী হাজিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, কালো তালিকাভূক্ত বেসরকারি এজেন্সীর তালিকা দ্রুত প্রকাশ করা, হাজিগনের জন্য বাধ্যতামূলক খাবার সরবরাহের প্রথা বন্ধ করা এবং মিনায় উন্নতমানের বাংলাদেশী খাদ্য পরিবেশন ও উন্নতমানের আবাসনের ব্যবস্থা করা, হজের সময় বাংলাদেশের আইন লঙ্ঘন করে সৌদি এয়ারলাইন্সের টিকেট বিক্রির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া, হজযাত্রী পরিবহনে বাস সার্ভিস উন্নত করা এবং বাংলাদেশী হাজিদের জন্য ট্রেন পরিবহন এর সুবিধা বৃদ্ধি করা।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যগণ হলেন ধর্ম মন্ত্রনালয়ের সচিব মুহা. আনিছুর রহমান, সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসি, ধর্ম মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহা. মিজানুর রহমান, কাউন্সিলর (হজ) জেদ্দা।

মুহা. মাকসুদুর রহমান, পরিচালক হজ অফিস ঢাকা, মুহা. সাইফুল ইসলাম ও হজ এজেন্সীজ এসোসিয়েশন আব বাংলাদেশ (হাব) সভাপতি এম শাহাদাৎ হোসাইন তাসলিম প্রমুখ।

-এটি

ad

পাঠকের মতামত

Comments are closed.